ব্যুরো নিউজ,৩ অক্টোবর:বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে দেখা যায়। ডায়াবেটিস হলে সাধারণত রোগীকে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার জন্য ওষুধ খেতে হয় এবং খাদ্যাভ্যাসেও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায়, তবে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে টাইপ ২ ডায়াবেটিস (T2DM) রোগীদের ক্ষেত্রে। এই ধরনের সমস্যার সমাধানে এক যুগান্তকারী ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছেন বাঙালি গবেষক ড. গওসাল আজম খান। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের সন্তান এবং বর্তমানে সৌদি আরবের কিং ফয়সল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার উদ্ভাবিত এই ভ্যাকসিন ইতিমধ্যে আমেরিকার পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিস থেকে অনুমোদন লাভ করেছে।
বিচ্ছেদের প্রতীক ‘ডিভোর্স’, দুবাইয়ের রাজকন্যার নতুন সুগন্ধি
ড. গওসাল এর গবেষণা
ড. গওসাল তার গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, ভন উইল্যান্ড ফ্যাক্টর (vWF) নামক একটি গ্লাইকোপ্রোটিন মেগাকারিওসাইট ও এন্ডোথেলিয়াল কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং মানসিক চাপের সময় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স সৃষ্টি করে। vWF এর একটি নির্দিষ্ট অংশ ইনসুলিন রিসেপ্টরের সাথে প্রতিযোগিতা করে ইনসুলিনের কার্যকারিতা ব্যাহত করে, ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। তিনি জানান, এই অংশটি যখন একটি অ্যান্টি-নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি দ্বারা নিষ্ক্রিয় করা হয়, তখন নাইট্রিক অক্সাইড (NO) উৎপাদন পুনরুদ্ধার হয় এবং শরীরের কোষে গ্লুকোজ গ্রহণের হার বৃদ্ধি পায়। অধ্যাপক খান এই vWF এর একটি প্রোটিন সিকোয়েন্স চিহ্নিত করে সেটিকে ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহার করেছেন।
শাহরুখ খানের জীবনের কঠিন সময়ঃ ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করলেন স্মৃতি
উল্লেখ্য, এই ভ্যাকসিনটি বাজারে এলে ডায়াবেটিস রোগীদের আর দীর্ঘ সময় ওষুধ খেতে হবে না। এখন পর্যন্ত টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য কোনও ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি, তাই ড. গওসালের এই উদ্ভাবন স্বাস্থ্যসেবায় একটি বিপ্লবী পদক্ষেপ হতে পারে।
https://www.youtube.com/live/zu8eJc9ivjg?si=mnKiK-Qe3Xs6hxB_







