ব্যুরো নিউজ, ৫ জুন ২০২৬ঃ তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির জন্য সরাসরি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ব্যর্থতা’কেই দায়ী করলেন লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, পূর্বতন সরকারের নীতির বিরুদ্ধেই সাধারণ মানুষ ভোটবাক্সে রায় দিয়েছেন, যা দলের ভরাডুবির মূল কারণ। এর আগে বিধানসভার পরিষদীয় দলে ভাঙন দেখা গিয়েছিল, এবার লোকসভাতেও একই রকম ফাটল ধরার জল্পনা তীব্র হয়েছে কাকলির মন্তব্যে।
গত ২ জুন ধর্মতলায় ধর্না মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কাকলির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিধানসভা ভোটে পুত্রকে টিকিট না পাওয়ায় কাকলি ‘বেসুরো’ মন্তব্য করছেন। এর পাল্টা জবাবে বারাসতের সাংসদ স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে আসা চার বারের সাংসদ, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে দীর্ঘ চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তিনি কেবল নিজের কথা ভাবেন বলে মনে হয়? এটা আসলে নীতি এবং সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষের দেওয়া রায়।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে কাকলিকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। এরপরই তিনি সমাজমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, “চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।” এই ঘটনার পর শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি এবং অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে। বিধানসভার পর এবার লোকসভাতেও তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের সুর স্পষ্ট।








