ব্যুরো নিউজ, ২২ মে ২০২৬ : জুলাই মাস থেকে বাজারে সাধারণ ব্যবহারের কিছু ওষুধের দাম বাড়তে পারে, যা রোগীদের দৈনন্দিন চিকিৎসা খরচে সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘নন-শিডিউল্ড’ বা সরাসরি সরকারি মূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা ওষুধের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি এর প্রধান কারণ হিসেবে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খরচ বাড়াকেই তুলে ধরছে।তাদের বক্তব্য, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ওষুধের কাঁচামাল বা অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই)-এর দাম ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
স্বাস্থ্য মহলের একাংশের মতে, এই সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি শুধু ওষুধ শিল্পের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। ব্যথা ও জ্বরের ওষুধ, বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট, ত্বকরোগের ওষুধ এবং শ্বাসযন্ত্রের কিছু ওষুধ এই মূল্যবৃদ্ধির আওতায় আসতে পারে। যদিও কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা জেনেরিক ওষুধের নাম এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
ওষুধ শিল্পের প্রতিনিধিদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ-শৃঙ্খলে প্রভাব পড়ার কারণে শুধু কাঁচামাল নয়, প্যাকেজিং সামগ্রী ও অন্যান্য উৎপাদন-সংক্রান্ত খরচও বেড়েছে। তবে সাধারণ ক্রেতারা জুলাইয়ের শুরুতেই এই দাম বাড়ার ধাক্কা অনুভব করবেন না। বাজারে পুরোনো দামের ওষুধের স্টক মজুত রয়েছে। পাইকারি ও খুচরো ওষুধ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির মতে, পুরোনো স্টক শেষ হওয়ার পর নতুন দাম বসানো ব্যাচ বাজারে আসতে শুরু করলে জুলাইয়ের শেষ দিকে বা অগস্ট মাস নাগাদ এর প্রভাব স্পষ্ট হতে পারে। ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্যভাবে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করবে।¸








