ব্যুরো নিউজ, ১১ জুলাই ২০২৬ঃ রাজ্যে পালাবদলের পর বহুচর্চিত আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। পুর নিয়োগ দুর্নীতি এবং এলাকার এক ব্যক্তির থেকে লটারির কোটি টাকা ছিনতাইয়ের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর ও তাঁর ছেলে তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। পুলিশের নজর এড়িয়ে ‘অজ্ঞাতবাসে’ থাকার পর অবশেষে শনিবার প্রকাশ্যে এলেন নির্মল ঘোষ।
এদিন তপসিয়ায় ‘আসল’ তৃণমূলের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁকে দেখা যায়। শুক্রবার দীর্ঘ আলোচনার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা তাঁদের রাজ্য সংগঠন নতুন করে সাজিয়েছিলেন। শনিবার তপসিয়ার কার্যকরী সভাপতি জাভেদ খানের একটি ক্লাবে তাঁদের ‘প্লেনারি’ চলছিল। এই বৈঠকেই তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেনের পাশাপাশি প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা তৈরি করেছে।
বিশেষত, আর জি কর কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থার স্ক্যানারে থাকার সময়েই এই বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। বৈঠকে যোগদানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নির্মল ঘোষ সাংবাদিকদের সামনে সংক্ষিপ্তভাবে জানান, “শুধু দেখা করতে এসেছি।” তবে তাঁর এই আকস্মিক উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। একদা প্রভাবশালী এই নেতার ‘অজ্ঞাতবাস’ ভেঙে ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্মল ঘোষের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলার গতিপ্রকৃতি নিয়ে কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।








