ব্যুরো নিউজ, ২৯ আগস্ট ২০২৬: সন্দেশখালি ফের সংবাদ শিরোনামে। ২৯ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ভরদুপুরে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)-এর একটি বিশেষ মহড়া ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। ধামাখালির একটি হোটেলে জঙ্গিদের হাতে পর্যটকদের পণবন্দি করার কাল্পনিক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।
সন্দেশখালি থানার কাছে খবর আসে যে, কিছু পর্যটককে অপহরণ করে রাখা হয়েছে। এরপরেই ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ডকে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এনএসজি জওয়ানরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধামাখালির ওই গেস্ট হাউসটি সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলেন। সিনেমার দৃশ্যের মতো এই টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা রীতিমতো হতবাক হয়ে যান। ভিড় জমে যায় এলাকায়। সবার চোখেমুখে একটাই প্রশ্ন, হচ্ছেটা কী? কে বা কারা ওই হোটেলে লুকিয়ে আছে, জঙ্গি হামলা হয়েছে কিনা, এমন নানা প্রশ্ন ভিড় করে আসে তাদের মনে। একসময় শেখ শাহজাহানের নামে কাঁপত যে সন্দেশখালি, সেখানে এমন দৃশ্য দেখে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে জানা যায়, এটি ছিল এনএসজি এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি বিশেষ মকড্রিল। জরুরি পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদী হামলা মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবং তাদের কর্মদক্ষতা যাচাই করতেই এই মহড়া চালানো হয়। পণবন্দিদের উদ্ধার এবং জঙ্গিদের নিষ্ক্রিয় করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে অনুশীলন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই এনএসজি এবং কলকাতা পুলিশের একটি দল কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছিল। তিনদিন ধরে মন্দির চত্বরে বিশেষ রেইকিও পরিচালনা করেন এনএসজি জওয়ানরা। এই মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাহিনীর কর্মদক্ষতা ও দ্রুত পদক্ষেপের বিষয়টি আরও একবার প্রমাণিত হলো, যা যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা তুলে ধরে।








