ব্যুরো নিউজ, ৫ জুন ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ গ্রাহকদের তীব্র বিরোধিতা এবং রাজ্য সরকারের আপত্তির কারণে আবাসিক স্তরে প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও, ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে রাজ্যে পুনরায় প্রায় ২ কোটি স্মার্ট মিটার বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথমে বড় বাণিজ্যিক গ্রাহকদের এই মিটারের আওতায় আনা হবে এবং ধাপে ধাপে তা সাধারণ বাড়ি বা ডোমেস্টিক স্তরে সম্প্রসারিত হবে।পশ্চিমবঙ্গের স্মার্ট মিটার সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর মূল দিকগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
সরকারি নীতি ও বর্তমান আপডেট (২০২৬)নতুন সূচনা: কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে পশ্চিমবঙ্গে বড় পরিসরে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হচ্ছে। পূর্বে সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ এবং বিলিং সংক্রান্ত জটিলতার কারণে রাজ্য সরকার সাধারণ বাড়িগুলিতে স্মার্ট মিটার বসানোর প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল।
প্রিপেইড ও পোস্টপেইড সুবিধা: নতুন নিয়মে পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা নিজেদের সুবিধামতো প্রিপেইড (Prepaid) অথবা পোস্টপেইড (Postpaid) যেকোনো একটি মোড বেছে নেওয়ার বিকল্প বা সুযোগ পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি স্মার্ট মিটারের জন্য ৯০০ টাকা ভর্তুকি দেবে। বাকি খরচ হিসেবে গ্রাহকদের প্রতি মাসে আনুমানিক ১০০ টাকা করে দিতে হতে পারে।
স্মার্ট মিটারের সুবিধারিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: গ্রাহকরা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বা WBSEDCL এর অফিসিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করে তাদের দৈনিক বিদ্যুৎ খরচ বা ‘লোড প্যাটার্ন’ লাইভ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।সঠিক বিলিং: মিটার রিডারদের বাড়ি বাড়ি আসার প্রয়োজন পড়বে না।








