ব্যুরো নিউজ, ১৬ অক্টোবর ২০২৬: দুর্গাপুজো মানেই উৎসবের মরসুম, নতুন পোশাক আর জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। আর এই উৎসবের ভোজে মটন না থাকলে যেন আনন্দ অপূর্ণ থেকে যায়।
তবে প্রতি বছর চেনা কষা মাংসের একঘেয়েমি কাটিয়ে যদি থাকে অন্য স্বাদের মটন, তাহলে কেমন হয়? এই বছর পুজোর মেনুতে নতুন চমক আনতে পারেন রাজস্থানী বানজারা মটন দিয়ে। এটি শুধু স্বাদে অতুলনীয় নয়, এর প্রস্তুতি পদ্ধতিও বেশ অভিনব।
এই বিশেষ রেসিপির শিকড় রয়েছে রাজস্থানের ঐতিহ্যে, আবার তেলঙ্গানা সহ দক্ষিণ ভারতের লাম্বাডি বা বানজারা সম্প্রদায়ের খাদ্যসংস্কৃতিতেও এর প্রভাব দেখা যায়। স্থানীয় উপকরণ ও রান্নার কৌশলের মিশেলে তৈরি এই পদ মটনকে দেয় এক অনন্য স্বাদ। নারকেল, পোস্ত, ছোলার ডাল এবং বিভিন্ন মশলার অভিনব সমন্বয় এই বানজারা মটনকে করে তোলে অসাধারণ। এর সুগন্ধ এবং মসৃণ গ্রেভি যেকোনো ভোজকে বিশেষ করে তোলে।
রেসিপি অনুযায়ী, প্রথমে পোস্ত ও ছোলার ডাল একসঙ্গে বেটে পেস্ট তৈরি করা হয়। এরপর নারকেল, ধনেপাতা ও রসুনের কোয়া দিয়ে আরেকটি পেস্ট তৈরি করে নেওয়া হয়। পেঁয়াজ হালকা বাদামী করে ভেজে এই পেস্টগুলি দিয়ে ভালো করে কষানো হয়। টমেটো পিউরি, তেজপাতা, দারচিনি এবং অন্যান্য গরম মশলার সঙ্গে মটনের টুকরোগুলি মিশিয়ে ধীর আঁচে দীর্ঘক্ষণ রান্না করা হয়, যতক্ষণ না মাংস নরম তুলতুলে হয়ে আসে। প্রেশার কুকারেও এটি দ্রুত রান্না করা সম্ভব।
দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে দুপুরে গরম ভাত, জিরে রাইস কিংবা রুটির সঙ্গে এই সুস্বাদু বানজারা মটন পরিবেশন করলে ভোজ জমে উঠবে। কষা মাংসের একঘেয়েমি কাটিয়ে এই নতুন স্বাদের পদ আপনার উৎসবকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে। অতিথিরাও মুগ্ধ হবেন এই অভিনব স্বাদের মটনের প্রশংসায়।








