ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: প্রযুক্তির হাত ধরে এবার ব্যক্তিগত অন্তরঙ্গতাও পৌঁছে যাচ্ছে নতুন যুগে। এতদিন যা ছিল কল্পনারও অতীত, তাই এবার বাস্তবে রূপ নিচ্ছে ‘সেক্সটেক’-এর হাত ধরে। সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মেলবন্ধনে তৈরি হচ্ছে এমন সব ডিভাইস, যা মানুষের যৌন জীবন এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কে আনছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI চালিত রোবোটিক সঙ্গী তৈরি করেছে, যারা কেবল শারীরিক নয়, মানসিক সাহচর্যও দিতে সক্ষম।
Lovense-এর মতো কোম্পানিগুলো এমন উন্নতমানের AI কম্প্যানিয়ন বাজারে এনেছে, যা মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক কথোপকথনে পারদর্শী। এগুলি কেবল যন্ত্র নয়, যেন এক জীবন্ত সঙ্গী। অন্যদিকে, Kiiroo এবং Wow Tech-এর মতো ব্র্যান্ডগুলো অ্যাপ-নিয়ন্ত্রিত ইন্টারেক্টিভ ডিভাইস তৈরি করছে। এই প্রযুক্তি দূরবর্তী যুগলদের জন্য অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলোকে আরও জীবন্ত করে তুলছে। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি বা VR-এর ব্যবহারও এই ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উন্নত মোশন-ক্যাপচার, ভার্চুয়াল অবতার এবং জেনারেটিভ AI-এর মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিগত এবং অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ভার্চুয়াল অন্তরঙ্গতার পরিবেশ। এই ‘সেক্সটেক’ প্রযুক্তি একদিকে যেমন মানুষের একাকীত্ব দূর করতে পারে, তেমনই অন্যদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ধারণাকেও নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে। তবে এর নৈতিক এবং সামাজিক প্রভাব নিয়েও চলছে বিস্তর আলোচনা। প্রযুক্তির এই নতুন দিগন্ত নিঃসন্দেহে মানব সমাজের জন্য এক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে।








