বাংলার নতুন আকর্ষণ: পর্যটকদের ভিড়হীন দাদনপাত্রবাড় সমুদ্র সৈকত, যেখানে গড়ে উঠবে গভীর সমুদ্র বন্দর!

বাংলার নতুন অফবিট ডেস্টিনেশন দাদনপাত্রবাড় সমুদ্র সৈকত। পর্যটকদের ভিড়হীন এই জায়গায় গড়ে উঠবে গভীর সমুদ্র বন্দর। কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন, জেনে নিন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৫ জুন ২০২৬ঃ পাহাড়ের প্রতি টান থাকলেও ভ্রমণপিপাসু বাঙালির সমুদ্রের প্রতি এক আলাদা আকর্ষণ চিরন্তন। দিঘা বা পুরীর মতো পরিচিত সৈকতগুলিতে এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। যারা একটু নিরিবিলি, নির্জন এবং ভার্জিন সমুদ্র সৈকতের সন্ধানে রয়েছেন, তাদের জন্য পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবাড় হতে পারে এক নতুন ঠিকানা। এই জায়গাটি এখনও পর্যটকদের তেমন নজরে আসেনি, তাই এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখনও অক্ষত। দাদনপাত্রবাড় সমুদ্র সৈকতে পা রাখলে চোখে পড়বে বিস্তৃত জলরাশি, সারি সারি ঝাউবন এবং বালির উপর নোঙর করা অসংখ্য নৌকা।

এখানকার নিরিবিলি পরিবেশ এবং প্রকৃতির শান্ত রূপ মন ছুঁয়ে যায়। মন্দারমণির খুব কাছেই অবস্থিত এই সৈকতটি বর্তমানে বাংলার অন্যতম ‘হট টপিক’ হয়ে উঠেছে এক বিশেষ কারণে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, তাজপুর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে দাদনপাত্রবাড় এলাকায় ১৭০০ একর জমিকে কেন্দ্র করে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। এই বন্দর তৈরি হলে বাংলার সামুদ্রিক অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই বন্দর প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার আগেই এই নির্জন সৈকতটি ঘুরে আসার এটাই সেরা সময়।

যদিও দাদনপাত্রবাড়-এ এখনও কোনো থাকার ব্যবস্থা নেই, পর্যটকদের মন্দারমণি বা দিঘায় রাত্রিবাস করতে হবে। কলকাতা থেকে যারা যাবেন, তারা চাউলখোলা থেকে বামে মোড় নিয়ে ৮-১০ কিলোমিটার গেলেই এই অপূর্ব সুন্দর সৈকতে পৌঁছাতে পারবেন। চাউলখোলা থেকে অটো বা টোটো ভাড়া পাওয়া যায়। প্রকৃতির কোলে এক নতুন অভিজ্ঞতার জন্য দাদনপাত্রবাড় নিঃসন্দেহে এক আদর্শ গন্তব্য।