ব্যুরো নিউজ, ১৭ জুন ২০২৬ঃ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপকে ঘিরে পর্তুগাল ফুটবল দল এবার এক ভিন্ন আবেগ নিয়ে মাঠে নামছে। ফুটবল সাংবাদিক জোনাথন উইলসন পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাসকে এক বিষাদসিন্ধু বলে বর্ণনা করেছিলেন, যেখানে সাফল্যের পাশাপাশি রয়েছে দীর্ঘশ্বাস। ইউসেবিও থেকে শুরু করে ফিগো-কোস্তার ‘স্বর্ণালী প্রজন্ম’ পর্যন্ত, পর্তুগাল বারবার দিগন্ত ছুঁয়েও ফিরে এসেছে। এবার ৪১ বছর বয়সী রোনালদো তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ট্রফির খোঁজে। মেসির বিশ্বকাপ জয়ের পর তার উপর চাপ আরও বেড়েছে।
তবে এবারের পর্তুগাল শুধু রোনালদোকে ঘিরে নয়। লিভারপুলের ফরোয়ার্ড ডিওগো জোতার মর্মান্তিক মৃত্যু দলটিকে মানসিকভাবে এক সুতোয় বেঁধেছে। কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তার দলকে ‘২৭ প্লাস এক’ জনের দল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেখানে জোতার স্বপ্নই তাদের লড়াইয়ের জ্বালানি। মার্তিনেজ ফার্নান্দো সান্তোসের রক্ষণাত্মক কৌশল থেকে বেরিয়ে এসে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দলকে সাজিয়েছেন, যেখানে মাঝমাঠই মূল চালিকাশক্তি। পর্তুগালের এবারের মাঝমাঠকে ইউরোপের অন্যতম ‘এলিট’ মিডফিল্ড বলা হচ্ছে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজ এই মাঝমাঠের প্রধান সেনাপতি। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে থিয়েরি অঁরির অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। তার ফ্রি রোল এবং তরুণ তুর্কিদের নিখুঁত ট্যাকটিক্যাল ম্যাচিউরিটি পর্তুগালকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই দল কি পারবে অবশেষে সেই বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে, নাকি আবারও বিষাদসিন্ধুতেই মিশে যাবে তাদের স্বপ্ন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








