ব্যুরো নিউজ, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: ভারত-চিন সীমান্ত বরাবর লাদাখে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। সম্প্রতি ভারত সরকার লাদাখের ২৮টি কৌশলগত স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের নামকরণ করেছে, যা বেজিংয়ের তীব্র আপত্তির কারণ হয়েছে।
গত ২রা অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর অবস্থিত গোগরা এবং হট স্প্রিং-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকাও রয়েছে, যা অতীতেও দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বেজিংয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন,”ভারত একতরফা ও অবৈধভাবে তথাকথিত ‘লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ তৈরি করেছে। চিন কখনওই এর স্বীকৃতি দেয়নি।” মাও নিং আরও বলেন, ভারতের এই নামকরণ “অবৈধ ও অকার্যকর” এবং এটি “চিন-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো সর্বদা চিনেরই অন্তর্ভুক্ত” এই সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না।
চিনের এই কঠোর প্রতিক্রিয়া দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সীমান্ত বিরোধকে আরও জটিল করে তুলেছে। জানা গেছে, ব্রিকস সম্মেলন থেকে ফেরার পরই চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পাকিস্তানের সঙ্গে একটি যৌথ সীমান্ত কমিশন গঠন করেছিলেন। ভারতের এই পদক্ষেপকে তার পালটা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সীমান্ত সুরক্ষায় ভারতের দৃঢ় মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়।
কূটনৈতিক মহলে এই ঘটনা গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় লাদাখ সীমান্তে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।








