ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: দশমীর সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে বাজছে বিসর্জনের বাদ্যি। বাপেরবাড়ি থেকে উমার কৈলাসে ফিরে যাওয়ার পালা। দুপুর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন ঘাটে শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন। এই দিনে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে কড়া নজরদারি ও নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।
বিসর্জন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কেমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এদিন সকালেই বাবুঘাটে উপস্থিত হলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বিশেষ করে জোর দেন ভিড় নিয়ন্ত্রণ, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থার ওপর। এদিন সকালে বাবুঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয়কুমার নন্দা, কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে বিসর্জন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।
দশমীর সকাল থেকেই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপগুলিতে সিঁদুরখেলা চলছে, যা উৎসবের শেষ মুহূর্তের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এরপর দুপুর থেকে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হবে। ঘাটগুলিতে বিসর্জনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার তরফে ঘাটগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে পুণ্যার্থীরা এবং বিসর্জনকারীরা নিরাপদে ও সুশৃঙ্খলভাবে বিসর্জন সম্পন্ন করতে পারেন।
মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ঐতিহ্য ও পরম্পরা মেনেই যেন বিসর্জন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষার দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়।








