ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: ২০২৬-এর বিজয়া দশমীর আনন্দ এবার কিছুটা হলেও ফিকে হয়ে গেল। বাঙালির চিরন্তন মিষ্টিমুখের ঐতিহ্য এবার মূল্যবৃদ্ধির ছ্যাঁকায় মহার্ঘ হয়ে উঠেছে। চিনি ও দুধের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির জেরে বিজয়ার মিষ্টির দাম আকাশ ছুঁয়েছে, এমনকি আকারেও ছোট হয়ে এসেছে বহু মিষ্টি।
সাধারণত বিজয়া মানেই মিহিদানা, সীতাভোগ, রসগোল্লা, সন্দেশ, গজা সহ হরেক রকম মিষ্টির সম্ভার। কিন্তু উৎসবের মরশুমের আগেই দেশজুড়ে চিনির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে গিয়েছে দুধের দামও। এই দুই প্রধান উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বাংলার মিষ্টি শিল্পে।
কলকাতার সমস্ত নামী দোকান থেকে মফস্বলের ছোট মিষ্টির দোকানেও এখন ১০-১২ টাকার নিচে ভালো মিষ্টি পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠার ফলে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে বিজয়ার মিষ্টি কেনা এবার বেশ চ্যালেঞ্জিং।
মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, যে চিনি কয়েক মাস আগেও খুচরো বাজারে প্রতি কেজি ৪৮ টাকায় বিক্রি হত, তা এখন ৬৫-৭০ টাকায় পৌঁছেছে। শুধু চিনি বা দুধ নয়, ময়দা সহ অন্যান্য উপকরণের দামও বেড়েছে। এর ফলে কেবল রসগোল্লা বা সন্দেশ নয়, বিজয়ার কুচো নিমকি এবং ছোট গজার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিষ্টির মান ও আকার বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা।
উৎসবের মরশুমে এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর অনেকটাই অর্থনৈতিক চাপের সৃষ্টি করেছে।








