ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: বিগত শনিবার সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগান সার্বজনীন পুজোমণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
আহতদের প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে ইএম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কলকাতা মেডিক্যালের জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলে তা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যর্থতা।
বুধবার বাজেকদমতলা ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে এই প্রসঙ্গে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “অনেকে বলছিলেন, মেডিক্যাল কলেজ থেকে আহতদের নিয়ে যাওয়া হলো। তবে কি স্বাস্থ্যব্যবস্থা ব্যর্থ? হ্যাঁ মেডিক্যাল কলেজে যে হেলথ সিস্টেম ছিল, প্রাইভেটে নিয়ে গিয়েছিলাম বলেই ২৫টা লোকই বাড়ি ফিরে গেলেন। সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থায় তো কম আছে।”
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, সেদিন মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছিল এবং এটিকে ‘ক্ষমার অযোগ্য ভুল’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ১৯ জন সহনাগরিকের মৃত্যু কোনোভাবেই ক্ষমা করা যাবে না। এই ঘটনার তদন্তে কলকাতা পুলিশের ডিডি নিযুক্ত হয়েছে এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমও গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।








