” আজ শৈশবকে বাঁচান, আগামী প্রজন্মকে বাঁচান।”

অনলাইনে কেনাকাটার নামে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ। লোভনীয় অফার দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে টাকা। জানুন কীভাবে বাঁচবেন এই ফাঁদ থেকে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৫ নভেম্বর ২০২৬:শৈশব যে বয়সে খেলাধুলা, পড়াশোনা আর স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই অনেক শিশু-কিশোরের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নেশার প্রতি আকর্ষণ। সিগারেট, বিড়ি, গুটখা, ভেপ, মদ, গাঁজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মাদক—ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এই প্রবণতা। পাশাপাশি মোবাইল, অনলাইন গেম ও সামাজিক মাধ্যমের প্রতি নিয়ন্ত্রণহীন আসক্তিও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে।

বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি, একাকিত্ব, মানসিক চাপ এবং সহজে নেশার সামগ্রী পাওয়া—বিভিন্ন কারণে শিশুরা এই পথে পা বাড়াতে পারে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ। পরিবারে বাড়ছে অশান্তি, আর্থিক চাপ ও মানসিক উদ্বেগ। দীর্ঘমেয়াদে দেশের কর্মক্ষম প্রজন্মও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

**কিন্তু প্রশ্ন হল, এই বিপদ থেকে শিশুদের রক্ষা করার দায়িত্ব কার?**

প্রথম দায়িত্ব পরিবারের। সন্তানদের সময় দিতে হবে, তাদের বন্ধু, অভ্যাস ও মানসিক অবস্থার খোঁজ রাখতে হবে। স্কুলে নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি, কাউন্সেলিং এবং নেশার কুফল সম্পর্কে শিক্ষা চালু করা জরুরি।

সরকারকেও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে তামাক ও মাদক বিক্রি বন্ধে নজরদারি, স্কুলের আশপাশে নেশার সামগ্রীর অবৈধ বিক্রি রোধ, মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা, সরকারি হাসপাতালে শিশু-কিশোরদের জন্য কাউন্সেলিং ও বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত পুনর্বাসন পরিষেবা এবং সচেতনতা অভিযান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সবচেয়ে বড় কথা, নেশায় জড়িয়ে পড়া কোনও শিশুকে অপরাধী হিসেবে নয়, সাহায্য ও চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে এমন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে হবে।

কারণ আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশ। তাদের শৈশব যদি নেশার অন্ধকারে হারিয়ে যায়, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়বে। এখনই পরিবার, স্কুল, সমাজ ও সরকারকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

শিশুদের হাতে বইয়ের বদলে নেশা? বিপন্ন আগামী প্রজন্ম, প্রশ্নের মুখে পরিবার ও প্রশাসন!**

শৈশব যে বয়সে খেলাধুলা, পড়াশোনা আর স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই অনেক শিশু-কিশোরের মধ্যে দেখা যাচ্ছে নেশার প্রতি আকর্ষণ। সিগারেট, বিড়ি, গুটখা, ভেপ, মদ, গাঁজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মাদক—ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এই প্রবণতা। পাশাপাশি মোবাইল, অনলাইন গেম ও সামাজিক মাধ্যমের প্রতি নিয়ন্ত্রণহীন আসক্তিও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে।

বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি, একাকিত্ব, মানসিক চাপ এবং সহজে নেশার সামগ্রী পাওয়া—বিভিন্ন কারণে শিশুরা এই পথে পা বাড়াতে পারে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ। পরিবারে বাড়ছে অশান্তি, আর্থিক চাপ ও মানসিক উদ্বেগ। দীর্ঘমেয়াদে দেশের কর্মক্ষম প্রজন্মও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

**কিন্তু প্রশ্ন হল, এই বিপদ থেকে শিশুদের রক্ষা করার দায়িত্ব কার?**

প্রথম দায়িত্ব পরিবারের। সন্তানদের সময় দিতে হবে, তাদের বন্ধু, অভ্যাস ও মানসিক অবস্থার খোঁজ রাখতে হবে। স্কুলে নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি, কাউন্সেলিং এবং নেশার কুফল সম্পর্কে শিক্ষা চালু করা জরুরি।

সরকারকেও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে তামাক ও মাদক বিক্রি বন্ধে নজরদারি, স্কুলের আশপাশে নেশার সামগ্রীর অবৈধ বিক্রি রোধ, মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা, সরকারি হাসপাতালে শিশু-কিশোরদের জন্য কাউন্সেলিং ও বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত পুনর্বাসন পরিষেবা এবং সচেতনতা অভিযান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সবচেয়ে বড় কথা, নেশায় জড়িয়ে পড়া কোনও শিশুকে অপরাধী হিসেবে নয়, সাহায্য ও চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে এমন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে হবে।

কারণ আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশ। তাদের শৈশব যদি নেশার অন্ধকারে হারিয়ে যায়, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়বে। এখনই পরিবার, স্কুল, সমাজ ও সরকারকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।