নাসিরুদ্দিন শাহকে বারবার থামিয়ে নির্দেশ, ইমতিয়াজ আলি বললেন, “আমার চড় খাওয়া উচিত ছিল!”

নাসিরুদ্দিন শাহকে বারবার থামিয়ে নির্দেশ, ইমতিয়াজ আলি বললেন, "আমার চড় খাওয়া উচিত ছিল!" 'ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা' ছবির শুটিংয়ের মজার অভিজ্ঞতা জানালেন পরিচালক।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৪ মে ২০২৬ঃ বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক ইমতিয়াজ আলি তাঁর আগামী ছবি ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ নিয়ে বর্তমানে শিরোনামে। দেশভাগের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিতে অভিনয় করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ, দিলজিৎ দোসাঞ্জ, বেদাঙ্গ রাইনা এবং শর্বরীর মতো তারকারা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে ইমতিয়াজ এমন এক ঘটনার কথা জানিয়েছেন, যা শুনে চমকে গিয়েছেন তাঁর অনুগামীরা।

ইমতিয়াজ জানান, শুটিং চলাকালীন তিনি বারবার বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহকে নানা রকম নির্দেশ দিতেন, এমনকি ক্যামেরা চলাকালীনও তাঁর অভিনয় থামিয়ে দিতেন। পরিচালকের মতে, নাসিরুদ্দিন শাহের মতো এত বড় মাপের অভিনেতাকে এভাবে বারবার থামিয়ে নির্দেশ দেওয়া কার্যত চড় খাওয়ার ঝুঁকি নেওয়ার মতোই ছিল। নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ইমতিয়াজ সরল স্বীকারোক্তি করেছেন, “ওঁর আসলে আমাকে চড় মারা উচিত ছিল!” তবে ইমতিয়াজ এও স্পষ্ট করে দেন যে, নাসিরুদ্দিন এমন একজন অসাধারণ অভিনেতা, যাকে অভিনয়ের বিষয়ে কিছু বললেই তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের অভিব্যক্তিতে সেই পরিবর্তন এনে ফেলেন।

পরিচালক জানান, ছবির ক্লাইম্যাক্সের একটি অত্যন্ত আবেগঘন দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় নাসিরুদ্দিন শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। তবুও নিজের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তিনি পর পর টেক দিয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় সহ-অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ নাকি মজার ছলে নাসিরুদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ওহ বাপ রে! আমি তো বাইরে চলে যাচ্ছি, আপনি চান্স নিন, অল দ্য বেস্ট স্যর!” ইমতিয়াজের কথায়, দিলজিতের এই মজার পর নাসিরুদ্দিন কিছুটা বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, “হোয়্যাট ননসেন্স, আর একটা টেক কী ভাবে দেব? ঠিক কী চাইছ?” তবে বর্ষীয়ান অভিনেতা বিরক্ত হলেও, পরে পরিচালক তাঁকে ভালো করে বুঝিয়ে বলায় তিনি আবারও শট দিতে রাজি হন। আর এভাবেই শেষ পর্যন্ত দৃশ্যটির শুটিং সম্পন্ন হয়।