ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: চোরবাগান সার্বজনীনের মণ্ডপে গুজব ছড়িয়ে ১৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় ধৃত আইনুল হককে ‘বাংলাদেশি এজেন্ট’ বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
সোমবার রাতে কোচবিহার থেকে এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয় আইনুল। তার বিরুদ্ধে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দারা আইনুলের বাংলাদেশ যোগ নিয়েও সন্দেহজনক তথ্য পেয়েছেন, যার সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এই আবহে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ আইনুলকে ‘বাংলাদেশ-নেপালের এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেন, “এরা কেউ বাংলাদেশ, কেউ নেপালের এজেন্ট। ভারতকে নিয়ে অশান্তির ছক কষছে। এছাড়া পশ্চিমবাংলায় এতদিন এদের মাধ্যমে টাকাপয়সা ঢুকেছে। এখনও ঢুকছে। তবে সরকারের সবদিকে নজর আছে। কাউকে ছাড়া হবে না।” দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “দিকে দিকে এসব লোকজন উপদ্রব করছে, শান্তি নষ্টের চেষ্টা চলছে।”
চোরবাগান কাণ্ডে ১৯ জনের মৃত্যুর পর রাজ্যজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা বারবার দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠনের আর্জি জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
আইনুলের গ্রেপ্তারি এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অভিযোগের পর দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এসটিএফ আইনুলের বাংলাদেশ যোগের সত্যতা যাচাইয়ে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে এবং এই ঘটনার নেপথ্যে আরও কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।








