দুর্গাপুজোর বিসর্জনে কড়া নিরাপত্তা; কলকাতায় ১২জন আইপিএস, চোরবাগান কাণ্ডের পর বাড়তি সতর্ক প্রশাসন

চোরবাগান কাণ্ডের পর দুর্গাপূজার বিসর্জনে বাড়তি সতর্কতা। কলকাতায় ১২ জন আইপিএস অফিসার মোতায়েন, ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কড়া নজরদারি।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২১ অক্টোবর ২০২৬: আসন্ন দুর্গাপূজার প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে কলকাতা শহরকে। চোরবাগান কাণ্ডের পর প্রশাসনের তরফ থেকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

এই বছর দশমী থেকে শুরু করে পরবর্তী চারদিন অর্থাৎ ২১শে অক্টোবর থেকে ২৪শে অক্টোবর পর্যন্ত বিসর্জন প্রক্রিয়ার উপর নজরদারির জন্য মোট ১৮ জন আইপিএস অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্যের চারটি প্রধান শহরে। এর মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতাতেই দায়িত্ব পালন করবেন ১২ জন আইপিএস আধিকারিক।

রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটি আইপিএস অফিসারের ডিউটি শিডিউল বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে কোনোপ্রকার বিশৃঙ্খলা এড়ানো যায়।

কলকাতা পুলিশের এলাকায় ২১শে এবং ২৩শে অক্টোবর বিসর্জন তদারকির দায়িত্বে থাকবেন আইপিএস গৌরব শর্মা, সোমা দাস মিত্র, রশিদ মুনির খান, আকাশ মাঘারিয়া, সুরেশকুমার চাডিভে এবং ধৃতিমান সরকার। অন্যদিকে, ২২শে এবং ২৪শে অক্টোবর এই গুরুদায়িত্ব পালন করবেন আইপিএস প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, ইমরান ওয়াহাব, শীষ রাম ঝাঝরিয়া, সৌম্য রায়, পারিজাত বিশ্বাস এবং সিদ্ধার্থ ধাপোলা।

এই আধিকারিকরা শহরের বিভিন্ন ঘাটে এবং বিসর্জন রুটে উপস্থিত থাকবেন। শুধুমাত্র কলকাতা নয়, হাওড়া, ব্যারাকপুর এবং চন্দননগরের বিসর্জনের ক্ষেত্রেও প্রশাসনের বাড়তি নজর রয়েছে। এই তিন শহরে দু’জন করে মোট ছ’জন আইপিএস অফিসারকে পাঠানো হয়েছে। হাওড়া জেলায় ২১ ও ২৩ তারিখে আইপিএস ইন্দ্র চক্রবর্তী এবং ২২ ও ২৪ তারিখে আভারু রবীন্দ্রনাথ নজরদারি চালাবেন।

শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে বিসর্জন সম্পন্ন করাই হল প্রশাসনের মূল লক্ষ্য, যাতে উৎসবের শেষ লগ্নে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।