ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন ২০২৬ : মণিপুরে অপহৃত ছয়জন নাগা সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধারের পর রাজ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। জয়েন্ট ট্রাইবস’ কাউন্সিল এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কুকি গোষ্ঠীকে দায়ী করে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। কাউন্সিলের আহ্বায়ক মেরাওয়াও ইনকা জানিয়েছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ এবং পরবর্তী বন্দি বিনিময়কে কেন্দ্র করে।
ইনকা জানান, গত ১৩ মে কুকিরা সাধারণ মানুষকে অপহরণ করলে নাগারাও পাল্টা অপহরণ করে। এরপর দুই পক্ষের ১৪ জন করে বন্দিকে বিনিময় করা হয়। তবে, কুকিদের কাছে আরও ছয়জন নাগা সদস্য বন্দি ছিলেন, যাদের ফেরত দিতে বারবার অস্বীকার করা হয়। এমনকি কুকি গোষ্ঠী এবং সরকার এটিকে নিখোঁজ মামলা বলে চালাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। নাগা গোষ্ঠীর অভিযোগ, সরকার ও কুকি সুশীল সমাজ সংগঠনগুলির সঙ্গে আলোচনার পর সদিচ্ছার প্রতীক হিসেবে তারা ১৪ জন কুকি বন্দিকে মুক্তি দেয়। কিন্তু তার পরিবর্তে তাদের ছয়জন ভাইয়ের বিকৃত ও পচাগলা মৃতদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত অসম্মানজনক। জয়েন্ট ট্রাইবস’ কাউন্সিল এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে।
তাদের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে লিলোন ভাইফেই-এর মহিলা সমিতি, লালবাই ভাইফেই-এর প্রধান এবং মণিপুর পুলিশের এক কর্মী থাঙ্গিলিয়ান, যারা বন্দিদের KNF(P) (কুকি ন্যাশনাল ফ্রন্ট (প্রগ্রেসিভ)) ক্যাডারদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। কাউন্সিল সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, যাতে এই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়। তবে, কর্তৃপক্ষ এখনও এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।








