ব্যুরো নিউজ, ২৯ মে ২০২৬ : ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে তৃণমূল নেতা আকুল সেনাপতিকে (৪৭) গুলি করে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বর্গীডাঙ্গা এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁর বুকের ডান পাশে এবং ডান দিকের বগলের নিচে গুলির ক্ষত রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এবং পরে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকুল সেনাপতি তাঁর স্ত্রী সাবিত্রী খামরুই সেনাপতিকে হাসপাতাল থেকে আনতে বাইকে যাচ্ছিলেন। সাবিত্রী পেশায় আশা কর্মী এবং সেই সময় গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। আকুল কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ঘটনার রাজনৈতিক কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
গোপীবল্লভপুর এক নম্বর তৃণমূলের সভাপতি হেমন্ত ঘোষ এবং নয়াগ্রাম পাঁচ মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি স্বপন রথ উভয়েই এই ঘটনার পিছনে পারিবারিক বিবাদ থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা জানিয়েছেন, আহত ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। ঠিক কতজন দুষ্কৃতী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আকুলের স্ত্রী সাবিত্রী বিকট শব্দ শুনে ছুটে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।








