ব্যুরো নিউজ, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়াতে নতুন রণকৌশল স্থির করল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। মঙ্গলবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর আহ্বানে আয়োজিত চা-চক্রে জোটের সাংসদরা একত্রিত হন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধীরা জানান, দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এই আন্দোলন আরও গতিশীল হবে এবং তা থামবে না। বৈঠকে আরজেডি-র তেজস্বী যাদব, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, সমাজবাদী পার্টির হরেন্দ্র মালিক, সিপিএমের এম এ বেবি, সিপিআই-এর ডি রাজা এবং তৃণমূলের সাগরিকা ঘোষ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সোনিয়া গান্ধী এবং কে সি ভেনুগোপালও যোগ দেন। বৈঠক শেষে তেজস্বী যাদব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ ও স্বশাসিত সংস্থাগুলিকে হাইজ্যাক করার গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় বিরোধীরা যে কোনও বলিদানে প্রস্তুত। এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানান, এই আন্দোলন জাতীয় রাজধানী থেকে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়া হবে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে দাবি করেন, সাধারণ মানুষ এই ‘ভোট চুরি’ ধরে ফেলেছেন এবং তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই তার প্রমাণ। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকা পর্যন্ত দেশে স্বচ্ছ নির্বাচন অসম্ভব। হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, বাংলা ও বিহারে বড় মাপের ‘ভোট চুরি’ হয়েছে অভিযোগ তুলে তিনি জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও ফৌজদারি মামলার দাবি জানান। বিরোধীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁদের এই যৌথ সংগ্রাম থামবে না।








