৫৯ বছরে পানাগড় অগ্রগামী ক্লাবের পুজো: প্রাচীন মন্দিরের আদলে মণ্ডপ, ৮ লক্ষ টাকা বাজেটে জমজমাট আয়োজন

পানাগড় অগ্রগামী ক্লাবের ৫৯তম দুর্গাপূজা। প্রাচীন মন্দিরের আদলে মণ্ডপ, ৮ লক্ষ টাকা বাজেটে জমজমাট আয়োজন। থাকছে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক চমক। কাঁকসা ব্লকের অন্যতম আকর্ষণ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: সময়ের পথ পেরিয়ে এবার গৌরবময় ৫৯ বছরে পদার্পণ করল পানাগড় অগ্রগামী ক্লাবের দুর্গাপূজা। কাঁকসা ব্লকের অন্যতম আকর্ষণীয় এই পুজো ঘিরে ইতিমধ্যেই চরম উৎসাহ ও উদ্দীপনা শুরু হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। উন-ষাট তম বর্ষের এই বিশেষ উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছর মণ্ডপ সজ্জায় থাকছে এক চমকপ্রদ অভিনবত্ব। কাল্পনিক এক পুরোনো দিনের মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে এবারের মূল দুর্গামণ্ডপ। বাঁশ, কাপড় ও প্লাইউটের নিপুণ ব্যবহারে বিভিন্ন সুনিপুণ কারুকার্য এবং আধুনিক রঙের প্রলেপে আস্ত মন্দিরটিকে জীবন্ত করে ফুটিয়ে তোলার কাজ চলছে জোরকদমে।

মণ্ডপের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি হচ্ছে সুদৃশ্য দেবী প্রতিমা। ক্লাব সদস্যরা প্রতিবছরের মতো এবারও রাজ্য সরকারের বিশেষ অনুদানের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, সরকারি অনুদান পেলে এই পুজো আরও জাঁকজমকপূর্ণ ও আকর্ষক হয়ে উঠবে। এবছর ক্লাবের মোট পুজোর বাজেট ধার্য করা হয়েছে প্রায় আট লক্ষ টাকা। শুধুমাত্র মণ্ডপ বা প্রতিমা নয়, পুজোকে কেন্দ্র করে থাকছে নানা সাংস্কৃতিক ও সামাজিক চমক। জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পুজোর চার দিন ধরেই মণ্ডপ চত্বরে বিভিন্ন মনোগ্রাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক সামাজিক কাজের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের পুজো প্রসঙ্গে ক্লাবের অন্যতম সদস্য সুকুমার ঘোষ জানান, “আমাদের এই পুজো রাস্তার একদম পাশেই হওয়ায় দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো এবং যানজট নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে এ বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সাহায্য চাওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি আমাদের ক্লাবের প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরাও মণ্ডপ চত্বরে সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবেন, যাতে সাধারণ দর্শনার্থীরা কোনো রকম অসুবিধা ছাড়াই সুন্দরভাবে পুজো ও প্রতিমা দর্শন করতে পারেন।”