ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর ২০২৬: গাইঘাটায় ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, ফেরার পথে প্রহ্লাদ এক পুলিশ আধিকারিকের রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে এক পুলিশ আধিকারিক খালে ঝাঁপ দেন বলেও দাবি করা হয়েছে। আত্মরক্ষার্থে অন্য এক আধিকারিক পাল্টা গুলি চালালে প্রহ্লাদ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে দ্রুত বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিহত প্রহ্লাদের পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন এবং এনকাউন্টারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে তাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়েছিল তদন্তকারীরা। কয়েকমাস আগেই বারুইপুরে এক নাবালিকা ধর্ষণ-খুন মামলায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল এক অভিযুক্তর।
পুলিশ জানিয়েছিল, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গাইঘাটায় ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটল। প্রহ্লাদের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ঠিক কী পরিস্থিতিতে গুলি চলেছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে। কীভাবে রিভলভার ছিনতাই হল এবং কোন পরিস্থিতিতে গুলি চালানো হল, সেই প্রশ্নগুলিও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।









